• banner-img1

  • শিরোনাম :-

    * *** শিক্ষা সংবাদ – ভর্তি সংবাদ,   ২০১৭ সেশন থেকেই চালু হয়েছে সম্পূর্ণ কোরআন ও সুন্নাহ্ ভিত্তিক স্কুল-” এ.কে.ইসলামিক মডেল স্কুল আলহামদোলিল্লাহ্ফর্ম দেওয়া  ও ভর্তি চলছে  । আগ্রহী অভিভাবকগণ যোগাযোগ করুন এই মোবাইল নম্বরে—9474332490/9614263383 ।।। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন উপরের ‘NEWS AND EVENTS’ অপশন ।   ***আলহামদোলিল্লাহ্ , QHSRC– উদ্যোগে শুরু হয়েছে আকর্ষণীয় নিয়মিত ইসলামিক TV প্রোগ্রাম-পবিত্র “কোরআনের আলো ” । দেখার জন্য চোখ রাখুন -“ASCSC TV” চ্যানেলে ,প্রত্যেক ইংরেজি মাসের শেষ রবিবার ,সন্ধ্যা  ৭ টা  থেকে ৮ টা পর্যন্ত ।। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন উপরের ‘NEWS AND EVENTS’ অপশন । *** QHSRC-এর পরিচালিত মাদ্রাসা-“এ.কে.ইসলামিক মডেল মাদ্রাসা “-র বিভিন্ন কোর্স যেমন-হেফজ্ কোর্স,মাওলানা ফারেগ কোর্স,ক্বেরাত কোর্স ইত্যাদি কোর্সে এখন ভর্তি চলছে । ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুন এই মোবাইল নম্বরে—9474332490/9614263383  *** আপনাদের মূল্যবান দান ও জাকাত পাঠান এই অ্যাকাউণ্ট নম্বরে-কোরআন হাদীস এ্যাণ্ড সায়েন্স রিসার্চ সেন্টার (QHSRC), ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইণ্ডিয়া, অরঙ্গাবাদ ব্রাঞ্চ, ব্রাঞ্চ কোড-1530অ্যাকাউণ্ট নম্বর-1530010324816  *** Send Your Donation and Zakat :- QURAN HADIS AND SCIENCE RESEARCH CENTRE (QHSRC), UNITED BANK OF INDIA, AURANGABAD BRANCH, BRANCH CODE-1530, IFSC CODE-UTBIOABMF62, BANK ACCOUNT NO.-1530010324816 . Then, send E-mail : support@qhsrc.org

  • INFORMATION-A.K.ISLAMIC MODEL SCHOOL

    School-Website Picture----1

    al quran-2HADIS-1QHSRC-1

    * বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম *

    * *** -: ইসলামের সুমহান বাণী :-** * *

    *** *

    “আর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎ কর্ম করেছে,অবশ্যই আমি প্রবিষ্ট করাব তাদেরকে জান্নাতে ,যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ ।সেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল, সেখানে তাদের জন্য থাকবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন স্ত্রীগণ ।তাদের আমি প্রবিষ্ট করাব ঘন ছায়া নীড়ে ।”                       —–[ আল কোরআন-সূরা নিসা :৫৭ ]
    “And as for those who believe and do good works, We shall make them enter Gardens underneath which rivers flow to dwell therein for ever ; there for them are pure companions and We shall make them enter plenteous shade.”
    —– [ Al-Quran -Sura Nisa : 57 ]
    “মুত্তাকীদের জন্য যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে, তাতে আছে নির্মল পানির ঝর্ণাধারা ।আছে দুধের ঝর্ণাধারা,যার স্বাদ অপরিবর্তনীয় ।আছে পান কারিদের জন্য সুস্বাদু সুরার ঝর্ণাধারা, আছে পরিশোধিত মধুর ঝর্ণাধারা ।”                                               —– [ আল কোরআন-সূরা মোহাম্মাদ :১৫ ]
    “A similitude of the Garden which those who keep there duty(to Allah) are promised : Therein are rivers of water unpolluted , and rivers of milk whereof the flavour changeth not, and rivers of wins delicious to the drinkers, and rivers of clear-run honey.”
    —–[  Al-Quran -Sura Muhammad : 15 ]
    “যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করত তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে ।যখন তারা উম্মুক্ত দরজা দিয়ে জান্নাতে পৌছবে এবং জান্নাতের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখে থাকো, অতঃপর সদা-সর্বদা বসবাস করার জন্য তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো ।”
    —–[ আল কোরআন-সূরা যুমার :৭৩ ]
    “And those who keep their duty to their Lord are driven unto the Garden in troops tills, when they reach it, and the gates thereof are opened , and the warders thereof say unto them : Peace be unto you ! Ye are good , so enter ye (the Garden of delight), to dwell therein.”                                                                                             —– [ Al-Quran -Sura Zumar : 73 ]
    “আর যারা সত্য ত্যাগ করেছে, তাদের বাসস্হান হবে জাহন্নাম । যখনই ওরা জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই ওদেরকে জাহান্নামের মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং ওদেরকে বলা হবে, যে আগুনের শাস্তিকে তোমরা মিথ্যা বলতে, এখন তোমরা তার স্বাদ গ্রহণ কর ।”                       —– [ আল কোরআন-সূরা সিজদা :২০ ]
    “And as for those who do evil , their retreat is the Fire. Whenever they desire to issue forth from thence , they are brought back thither . Unto them it is said : Taste the torment of the Fire which ye used to deny.”                                                    —– [  Al-Quran -Sura Sajdah : 20 ]

    ।*

    *** -: আল-হাদীস থেকে :-

    فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَ سُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِيْنَ تَمَسَّكُوْا بِهَا عَضُّوْا عَلَيْهَا بِالَّنَواجِذِ وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْاُمُوْرِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٍ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٍ

    ‘‘রাসুল(সঃ) বলেন-তোমরা আমার সুন্নাত এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাতের অনুসরণ করবে। তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে এবং উহার উপর অটল থাকবে। আর তোমরা নতুন নতুন বিষয় উদ্ভাবন করা হতে বিরত থাকবে। কেননা প্রতিটি নব আবিষ্কৃত বিষয়ই বিদআত এবং প্রতিটি বিদআতের পরিণামই ভ্রষ্টতা’’।—– [ আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সুন্নাহ। হাদীছ নং- ১৭৬১]

    ” হুযায়ফা (রাঃ) ফিতনার সময় করণীয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে রাসুল(সঃ) বলেন-তুমি মুসলমানদের জামাআত ও তাদের ইমামের অনুসরণ করবে। হুযায়ফা বলেনঃ আমি বললামঃ তখন যদি মুসলমানদের কোন জামাআ’ত ও ইমাম না থাকে? তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি ফিতনা সৃষ্টিকারী সকল ফির্কা পরিত্যাগ করবে। মৃত্যু পর্যন্ত তুমি এ অবস্থায় থাকবে ’’।—– [ সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ মুসলমানদের জামা’আতকে আঁকড়িয়ে ধরা ওয়াজিব।]

    “রাসুল(সঃ) বলেন-ফিতনার সময় আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত থাকা আমার নিকট হিজরত করে আসার মত’’।—– [ সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুল ফিতান।]

    “রাসুল(সঃ) বলেন-আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন’’।—–[ সহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল ইল্ম।]

    “রাসুল(সঃ) বলেন-কা’বাগৃহের নিকট জিবরীল (আহমাদ, মুসনাদ) আমার দু’বার ইমামতি করেন; প্রথমবারে তিনি আমাকে নিয়ে যোহরের নামায তখন পড়লেন, যখন সূর্যঢলে গিয়ে তার ছায়া জুতোর ফিতের মত (সামান্য) হয়েছিল। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়ে আসরের নামায পড়লেন যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হয়েছিল। অতঃপর আমাকে নিয়ে মাগরেবের নামায পড়লেন তখন, যখন রোযাদার ইফতার করে ফেলেছিল। (অর্থাৎ সূর্যাস্তের সাথে সাথে।) অতঃপর এশার নামায তখন পড়লেন, যখন (সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশের অস্তরাগ) লাল আভা অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল। আর আমাকে নিয়ে ফজরের নামায তখন পড়লেন, যখন রোযাদারের জন্য পানাহার হারাম হয়ে গিয়েছিল।
    দ্বিতীয় দিনে তিনি আমাকে নিয়ে যোহরের নামায তখন পড়লেন যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হয়েছিল। আসরের নামাযে আমার ইমামতি তখন করলেন, যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার দ্বিগুণ হয়েছিল। অতঃপর আমাকে নিয়ে মাগরেবের নামায তখন পড়লেন, যখন রোযাদার ইফতার করে ফেলেছিল। অতঃপর রাতের এক তৃতীয়াংশ গত হলে তিনি এশার নামায পড়লেন। আর আমাকে নিয়ে ফজরের নামায তখন পড়লেন, যখন (ভোর) ফর্সা হয়ে গিয়েছিল। অতঃপর তিনি আমার প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, ‘হে মুহাম্মাদ! এ হল আপনার পূর্বে সকল নবীগণের ওয়াক্ত। আর এই দুই ওয়াক্তের মধ্যবর্তী ওয়াক্তই হল নামাযের ওয়াক্ত।”—– [ আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, মিশকাত ৫৮৩নং ]

    । ….

    QHSRC-এর প্রকাশিত বই সমুহ :—
    NAMAJ_SIKSHA---1surer vubon-1Nari-Puruser Misro Somabesh

  • You are more watching Our Video : www.youtube.com/user/qhsrc 

  • ISLAMIC PICTURE-1ISLAMIC PICTURE-2ISLAMIC PICTURE-3ISLAMIC PICTURE-4NAMAJER SOMAY SUCHI